উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা-অন্ধ্র উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ধীরে ধীরে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে আগামী ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বর্তমানে ২৯-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টির জন্য সহায়ক।
তবে মাঝারি থেকে উচ্চ ভার্টিক্যাল উইন্ড শিয়ারের কারণে লঘুচাপটি শেষ পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা কম।
তার পরেও আগামী পাঁচ দিনে দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে, বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।
বিডব্লিউওটি জানিয়েছে, বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরির অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২৯-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ায় এটি ঘূর্ণিঝড় তৈরির সহায়ক। তবে মাঝারি থেকে উচ্চ ভার্টিক্যাল উইন্ড শিয়ারের কারণে এটি সম্ভবত ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হবে না এবং সর্বোচ্চ মৌসুমি নিম্নচাপ হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। ২৫ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তর ও মধ্য বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকতে পারে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।