শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ ::
দিন-রাত নিরলস দায়িত্বে ট্রাফিক পুলিশ, ঈদ-উৎসবেও নেই স্বস্তির সুযোগ সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার এনাম আহমদ চৌধুরীর ইন্তেকাল  ৭০০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম জনসম্মুখে খোলা হল শাহজালাল মাজারে দানবাক্স  ডিসি সরওয়ার আলম প্রত্যাহার: জিতল কারা, হারল সিলেটের মানুষ? শাহজালাল মাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে বিপাকে ডিসি সরওয়ার! অবশেষে প্রত্যাহার সিলেট বিএনপিতে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ঘিরে তৃণমূলে ক্ষোভ: ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি আখালিয়া বিদ্যু অভিযোগ কেন্দ্রের মোবাইল নম্বর সব সময় ব্যস্ত, ভোগান্তিতে ১০ এলাকার গ্রাহক জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া banglarmati মাল্টিমিডিয়ার সহ সম্পাদক হিসাব মাহমুদুর রহমান লায়েক ও মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করলেন আরমান আহমদ নাঈম বঙ্গবীর ওসমানীকে তাঁর প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদা কবে দেওয়া হবে..? “মাহমুদুর রহমান লায়েক”

ভূয়া দলিল লেখক রাশেদুজ্জামানের খুটির জোর কোথায়?

বাংলার মাটি ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫
ভূয়া দলিল লেখক রাশেদুজ্জামানের খুটির জোর কোথায়? - Banglar Mati

পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয়
সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৎকালীন সভাপতি ডেভিল রাশেদ খান মেনন। তারই সুপারিশে ২০১৩ সালে জাল সার্টিফিকেট দিয়ে দলিল লেখক এর সনদ হাসিল করেন সিলেটের রাশেদুজ্জান রাশেদ। যা বাংলাদেশ নিবন্ধন অধিদপ্তরের ডায়রী নং১৩৮৪৫ তারিখ-২৫.১১.২০১৩।

 

তখন আবদনে তিনি নিজেকে সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দুইজন দলিল লেখকের দীর্ঘদিনের সহকারী দাবি করেন। আবদনের সাথে শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি সনদের কপিও সংযুক্ত করে দেন। সনদ প্রাপ্তির পরপরই তৎকালীন শাসকদলীয় দলিল লেখক হিসেবে পুরো সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিস একহাত করে নেন তিনি। সর্বত্র বহুল আলোচিত হয়ে ওঠা এই দলিল লেখক রাশেদুজ্জানের বাড়ি সিলেট জেলার গোলাপগন্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জ কতোয়ালপুর উত্তরপাড়ায়। তিনি ওই পাড়ার মৃত সবুর মিয়ার পুত্র।

 

রাশেদুজ্জামান রাশেদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তিনি এসএসসি পাশের জাল সনদে দলিল লেখকের সনদ হাসিল করেছেন,যা সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সনদ নং-৩১৭।

 

নিবন্ধনকালে তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতার যে সনদ দাখিল করেছিলেন সেটি ছিল দি সিলেট এইডেড হাই স্কুলের ২০০৬ সালের সনদ। অথচ ২০০৬ সালে এইডেড হাইস্কুল থেকে যে ২২৯ জন এসএসসি পাশ করেছিলেন তাদের তালিকায় রাশেদুজ্জামান রাশেদ নামের কেউই ছিলেন না।

 

পতিত সরকারের শাসনামলে ভুয়া দলিল লেখক রাশেদুজ্জামান সরকার দলের প্রভাব খাটিয়ে সিলেট সদরের সকল সাবরেজিস্ট্রার ও তার অধীনস্তদের
নানা ভয় ভীতি দেখিয়ে অবৈধ দলিল সম্পাদন,ভূমির খতিয়ান ও শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে দলিল সম্পাদন করিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাকি, এমনকি সরকারি সম্পত্তি এবং চা বাগানের ভূমিও ব্যক্তির নামে দলিল করিয়ে দিতে সক্ষম হন।

 

এক কথায় সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা কর্চারী, নকল নবীশ ও ডিড রাইটারদের সম্পূর্ণ জিম্মি করে রেখেছিলেন তিনি। তার কোনো অপকর্মের প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না কারোর।

 

কিন্তু গত ৫ আগস্ট পটপরিবর্তন ও ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। তার অপরাধ অপকর্মের প্রতিবাদে সরব হয়ে ওঠেন সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকসহ কর্মকর্তা কর্মচারীরা। তারা অবিলম্বে দলিল লেখক রাশেদুজ্জামানের বহিস্কার ও তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে,বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে শুরু করেন।

 

কিন্তু তা সত্বেও অজ্ঞাত কারণে ভূয়া দলিল লেখক রাশেদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন তারা।তাই সবার একই প্রশ্ন, ভূয়া দলিল লেখক রাশেদুজ্জামান রাশেদের খুটির জোর কোথায়?

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© বাংলার মাটি মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102