শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ ::
দিন-রাত নিরলস দায়িত্বে ট্রাফিক পুলিশ, ঈদ-উৎসবেও নেই স্বস্তির সুযোগ সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার এনাম আহমদ চৌধুরীর ইন্তেকাল  ৭০০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম জনসম্মুখে খোলা হল শাহজালাল মাজারে দানবাক্স  ডিসি সরওয়ার আলম প্রত্যাহার: জিতল কারা, হারল সিলেটের মানুষ? শাহজালাল মাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে বিপাকে ডিসি সরওয়ার! অবশেষে প্রত্যাহার সিলেট বিএনপিতে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ঘিরে তৃণমূলে ক্ষোভ: ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি আখালিয়া বিদ্যু অভিযোগ কেন্দ্রের মোবাইল নম্বর সব সময় ব্যস্ত, ভোগান্তিতে ১০ এলাকার গ্রাহক জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া banglarmati মাল্টিমিডিয়ার সহ সম্পাদক হিসাব মাহমুদুর রহমান লায়েক ও মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করলেন আরমান আহমদ নাঈম বঙ্গবীর ওসমানীকে তাঁর প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদা কবে দেওয়া হবে..? “মাহমুদুর রহমান লায়েক”

হবিগঞ্জে ভুয়া জামিননামা দিয়ে কারাগার থেকে আসামি বাহির হলেন ৪ আসামি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৫
হবিগঞ্জে ভুয়া জামিননামা দিয়ে কারাগার থেকে আসামি বাহির হলেন ৪ আসামি - Banglar Mati

হবিগঞ্জে ভুয়া জামিননামা দিয়ে কারাগার থেকে বের হয়ে গেলেন মাদক মামলার ৪ জন আসামি। বিষয়টি নিয়ে হবিগঞ্জের আদালতপাড়াসহ সর্বত্র তোলপাড়। চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

৪ আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার শিমুলগঞ্জ গ্রামের আব্দুল কদ্দুছ মিয়ার ছেলে রুয়েল মিয়া, একই উপজেলার কিরণ মিয়ার ছেলে আলী হোসেন, জগন্নাথপুর উপজেলার পাগলা গ্রামের সজলু মিয়ার ছেলে আজাদ মিয়া ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার কিরগাও গ্রামের লেবু মিয়ার ছেলে সুয়েব মিয়া।

জানা যায়, গত ৬ জানুয়ারি জেলার মাধবপুর উপজেলায় ৩৫ কেজি গাজাসহ র‌্যাবের হাতে ধরা পড়ে ওই ৪ মাদক কারবারি। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

গ্রেফতারের পর আসামিপক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট ফয়সল আদালতে বেশ কয়েকবার তাদের জন্য জামিন আবেদন প্রার্থনা করেন। কিন্তু বিজ্ঞ বিচারকরা জামিন দেননি। গত ২৬ জানুয়ারিও আসামিদের জন্য আদালতে জামিন আবদেন করেন তাদে আইনজীবির। কিন্তু মিলেনি মঞ্জুরি। এ অবস্থায় হঠাৎ করে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) তারা কারাগার থেকে বের হয়ে যান।

বিষয়টি জানতে পেরে (৩০ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার অ্যাডভোকেট ফয়সল আদালতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি নিশ্চিত হন- তার আসামিরা ভুয়া জামিননামা তৈরি করে জিআরও অফিসের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করিয়ে তারা কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন।

অ্যাডভোকেট ফয়সল জানান- ‘আমি আদালতে একাধিকবার জামিন আবদেন করে মঞ্জুরি পাননি। পরবর্তীতে আমিহাইকোর্টে কাগজপত্র পাঠাতে চাইলে ৪ আসামির স্বজনরা এর প্রয়োজন নেই বলেন। তারা বলেন- আসামিরা জামিন নিয়ে বের হয়ে গেছেন। বিষয়টি জানার পর আমি হতভম্ব হয়ে পড়ি। পরে খোঁজ নিয়ে জানি- ভুয়া জামিননামা তৈরি করে জি.আর.ও অফিসের মাধ্যমে তা কারাগারে পাঠানো হয়। পরে সেটি দেখিয়ে আসামিরা জেল থেকে বের হয়ে যান।

হবিগঞ্জ কোর্ট ইন্সপেক্টর (ওসি) নাজমুল হোসেন বলেন- জানার পর থেকেই আমরা খোঁজ নিচ্ছি- কারা ভুয়া জামিননামা তৈরি করলো ও কীভাবে সেটি কারাগারে গেলো। তিনি বলেন- পুরো বিষয়টি জানার পর বলতে হবে। তবে এ ঘটনায় জিআরও অফিসের কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মুজিবুর রহমান বলেন- প্রতিদিনকার নিয়মেই আদালত থেকে আমাদের কাছে জামিননামা আসে। সেই অনুযায়ী বন্দীরা ছাড়া পান। তবে সেটি যে ভুয়া জামিননামা ছিলো- বিষয়টি আমাদের জানা ছিলো না।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© বাংলার মাটি মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102