সিলেট বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারি খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির : কুচক্রী মহলের যড়যন্ত্রের নীল নকশা
সদা হাস্যেজ্জল বিনয়ী সর্বস্তরের জনগণ ও নেতাকর্মীদের প্রিয় ও আস্থাভাজন নেতা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সিলেট বিএনপির ত্যাগী নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। দুঃসময়ে সময় খন্দকার মুক্তাদির বিএনপির দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। বিএনপির রাজনীতির জন্য বেশ কয়েকবার জেল জুলুম ও অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন। তবু ও পিছ-পা হননি।
জুলাই আগষ্টের আন্দোলনের সময় তিনি বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে সরকার পতনের আন্দোলনে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন। এসময় দল গ্রুপিং দন্ধে বিভক্ত ছিল। খন্দকার মুক্তাদির এর ডাকে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে গনঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটায়।
বর্তমানে সিলেটের আলোচিত সাদা পাথর লুটপাট কে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। নিজেদের অপরাধ ধামাচাপা দিতে বলির পাঠা বানাতে লিপ্ত এই চক্র।
সিলেটের বিএনপির রাজনীতি ও সর্ব মহলে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির একটি নাম। এই নামের পেছনে একটি সচ্ছ রাজনীতিবিদের সুনাম রয়েছে। অনিয়ম দুর্নীতি যাকে স্পর্শ করতে পারেনি আজ অবধি।
সেই ব্যক্তি নামে সাদা পাথর লুটপাটের কথা চিন্তা করা যায় না বলে জানিয়েছেন সিলেটের সর্বস্তরের রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ। এই ঘটনা নিয়ে সিলেটের চলছে নানান গুঞ্জন কারা এই অপপ্রচার ও মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। সুশীল সমাজের দাবি অতিসত্বর এই কুচক্রী মহল কে সনাক্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
বিগত সময় থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত সিলেটবাসীকে নিয়ে চলছে নানান যড়যন্ত্র। নেতৃত্ব শুন্য, মন্ত্রী শুন্য, গুণিজন শুন্য করা থেকে সকল উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড থেকে বঞ্চিত করার হয়েছে। বর্তমানে সাদা পাথর লুটপাট করে সিলেটবাসীকে নিয়ে আরেক টি যড়যন্ত্রের নীল নকশায় তৈরিতে কাজ করছে কুচক্রী মহল।
উল্লেখ্য জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কাউন্সিলে তাকে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা করা হয়। সিলেট বিএনপিতে এখন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের জনপ্রিয়তা বেশি। শহিদ জিয়ার আর্দশ ও দলের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা এবং দায়িত্ব কে সামনে তিনি দলের জন্য নিবেদিত হয়ে উঠেন। সিলেট বিএনপিকে দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া থেকে পুনর্গঠন করে আন্দোলন সংগ্রাম মুখী করতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন খন্দকার মুক্তাদির।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সিলেট বিএনপির মধ্যে শুরু হয় টানাপোড়েন। নির্যাতন, জুলুম অত্যাচার, আর মামলা হামলায় দলের নেতাকর্মীদের বেহাল অবস্থা ঠিক সেই সময় দলের হাল ধরেন খন্দকার মুক্তাদির। তৎকালীন সময়ে তিনি দলের নেতাকর্মীদের নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। সিলেটের বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের আশার প্রদীপ জ্বলে উঠে। শুরু হয় আন্দোলন সংগ্রামের প্রস্তুতি।
আওয়ামী দুঃশাসনের নির্যাতন, দলীয় কোন্দল, নেতৃত্বহীনতা এবং মূল সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের অনিয়মিত কমিটি গঠনের কারণে সিলেট বিএনপি স্থবির হয়ে গিয়েছিল। খন্দকার মুক্তাদির নতুন প্রাণ সঞ্চার করেন।
নেতাকর্মীদের জেল-জুলুম, দলীয় কোন্দল, এক গ্রুপের নেতার সাথে অন্য গ্রুপের বিরোধের কারণে দিশেহারা হয়ে যাওয়া সিলেট বিএনপির কর্মীরা খন্দকার মুক্তাদিরের ডাকে গ্রুপিং৷ দন্ধ ভুলে এক টেবিলে বসে। আন্দোলন সংগ্রামে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সব নেতাকর্মী রাজপথে মিলিত হওয়ার এই সৌন্দর্যের কারিগর খন্দকার মুক্তাদির।