সিলেটের গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ গত ০৭/০৭/২৫ তারিখে একটি মামলা দায়ের করে ( মামলা নং ১৩/১৮৫ ) বাদী আব্দুল হালিম। যে মামলাতে আসামি করা হয়েছে জাপান প্রবাসী বিএনপি নেতা হিফজুর রহমান রিজভীকে। এই মামলায় রিজভীকে আসামি করায় গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ ও ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। উল্লেখ এই মামলার অপরাধ সংগঠনের তারিখ দেখানো হয়েছে ২৮/০৬/২৫ তারিখ।
অথচ মামলার ২নম্বর আসামী করা হয়েছে জাপান প্রবাসী হিফজুর রহমান রিজভীকে। অথচ রিজভী ঘটনার ৬দিন আগে ২২/০৬/২৫ তারিখ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে জাপানের উদ্দেশ্যে রওনা দেন এবং ২৩/০৬/২৫ তারিখ সকালবেলা জাপানে পৌঁছান।
উল্লেখ হিফজুর গোয়াইনঘাট উপজেলার লেঙ্গুরা গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুর রহমানের পুত্র।
একজন প্রবাসীকে এই ধরনের মিথ্যায় মামলায় ফাঁসানোর ঘটনায় গোয়াইনঘাটের সুশীল সমাজের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারা এই ঘটনায় বিস্মিত ও হতবাক। গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
দীর্ঘদিন ধরে জাপান প্রবাসী -বিদেশ থেকেও সে কেন মামলার আসামি হলো এ ব্যাপারে বিস্মিত সবাই ! চারদিকে নিন্দার ঝড় উঠছে।
এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন – একজন প্রবাসী প্রবাসে থেকেও মামলার আসামি হলে সেটি নিন্দনীয়। আমরা দেখছি এর সাথে দলের কেউ জড়িত থাকলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে রিজভীকে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দেয়ায় জাপান বিএনপি নেতৃবৃন্দ নিন্দা জানিয়েছে, জাপান বিএনপির সভাপতি সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে , জাপান থাকা অবস্থায় একজন মানুষ কিভাবে মামলার আসামি হয় ?
এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল সরকার মামলায় প্রবাসীকে আসামি করার বিষয় স্বীকার করে বলেন -বাদী মামলা করেছে। আমরা তদন্ত করবো নির্দোষ হলে নাম বাদ দেয়া হবে।
জেলা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান বলেন কেউ প্রবাসে থেকে মামলার আসামি হলে তদন্ত করে
মামলা থেকে বাদ দেয়া হবে।