মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ ::
সিলেট নগরীর সার্কিট হাউজ এলাকা থেকে টাইগার জামাল কে আটক করে (র‍্যাব-৯) সিসিক কর্মকর্তা চঞ্চল দাশের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ সহ নানান দুর্নীতির অভিযোগ আশুলিয়ায় দৈনিক সমাচারের ঢাকা প্রতিনিধিকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা আগামীকাল রবিবার সিলেটে বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় সিলেটে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস পালিত রোগ নির্ণয় ও সমন্বিত চিকিৎসায় হিমোফিলিয়া রোগীরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন ..অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোঃ  জিয়াউর রহমান চৌধুরী ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে হ্যারিকেন, মোমবাতি ও কুপিবাতি নিয়ে পদযাত্রার উদ্যোগ গ্রহণ নগরীর সাগরদীঘির পাড় ওয়াক ওয়েতে ফের ছিনতাইয়ের চেষ্টা ! আটক ৩ সিলেট জেলা জজ কোর্টে আইনজীবীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা সিলেটে আজ সকালে ভূমিকম্প অনুভূত

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে টাকাসহ বেশ কয়েকটি চিরকুট ২ টি চিরকুট ব্যতিক্রম

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে টাকাসহ বেশ কয়েকটি চিরকুট ২ টি চিরকুট ব্যতিক্রম - Banglar Mati

কিশোরগঞ্জ শহরের আলোচিত পাগলা মসজিদের ১১টি দানবাক্স খোলা হয়েছে। শনিবার এতে ২৮ বস্তা টাকাসহ শত শত চিরকুট পাওয়া যায়। এসব চিরকুটে ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক প্রত্যাশার কথা রয়েছে।

 

দুটি চিরকুট অনেকের দৃষ্টি কেড়েছে। এর একটিতে লেখা– ‘ড. ইউনূস স্যারকে আরও ৫ বছর চাই’। এটি দানবাক্সে ফেলা হয়েছে ‘সাধারণ জনগণ’র পক্ষ থেকে। অন্যটিতে লেখা– ‘পাগলা চাচা, শেখ হাসিনা কোথায়’। এ চিরকুটে লেখকের নাম নেই। তবে ব্যঙ্গ করে এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

দানবাক্সে পাওয়া চিরকুটগুলো প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাউকে ধরতে দেন না। বিভিন্ন সময় মসজিদে আগত মুসল্লিদের উদ্দেশে দানবাক্সে কোনো ধরনের চিরকুট না ফেলতে মাইকে অনুরোধ জানায় কর্তৃপক্ষ। এখন চিরকুটের সংখ্যা কমলেও, একেবারে বন্ধ হয়নি।

 

স্থানীয়রা জানান, সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, পাগলা মসজিদে দান করলে মনের আশা পূরণ হয়। এ কারণে তাঁরা টাকা-পয়সা ও অলংকার দান করেন। অন্য ধর্মের মানুষও এখানে দান করে থাকেন।

 

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক জেসমিন আক্তারের তত্ত্বাবধানে সকালে বাক্সগুলো খোলা হয়। গণনা শেষে সন্ধ্যায় জানানো হয়, এবার ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া গেছে। কিছু বিদেশি মুদ্রা ও অলংকার পাওয়া গেছে। সর্বশেষ গত ৩০ নভেম্বর ১১ দানবাক্সে ৮ কোটি ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও মসজিদ কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান প্রমুখ।

 

জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান বলেন, চিরকুট বা চিঠি কাউকে দেখানো হয় না। কারণ এগুলো প্রচার হলে মানুষের মাঝে মসজিদ সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হয়।

 

তিনি জানান, দানবাক্সের টাকা রূপালী ব্যাংকে রাখা হয়। লভ্যাংশ থেকে অসহায় জটিল রোগীদের অনুদান দেওয়া হয়। মসজিদ কমপ্লেক্স মাদ্রাসার এতিম ছাত্রের খরচসহ মসজিদ পরিচালনার ব্যয় মেটানো হয়। জমানো অর্থে পুরুষ ও নারীদের নামাজের জন্য নতুন দুটি শেড নির্মাণ করা হবে। মসজিদ কমপ্লেক্স সম্প্রসারণের কাজও করা হবে।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© বাংলার মাটি মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102