জাতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধীনায়ক জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণী ওসমানী।রাজনৈতিক মতাদর্শের অমিল থাকায় ও সংসদীয় গণতন্ত্র বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৬ ইং সালের ৫ সেপ্টেম্বর গঠিত হয়, জাতীয় জনতা পার্টি।
জেনারেল ওসমানীর ঘনিষ্ঠভাজন ৩ জন বৃটেন প্রবাসী এই সময় পুরোনো এই বিল্ডিং সহ ৩৫ শতক ভুমি ক্রয় করে দিয়ে জাতীয় জনতা পার্টির স্তায়ী অফিস করে দেন।এখানেই শুরু থেকে অদ্যবদি জাতীয় জনতা পার্টির কার্যক্রম চলে আসছে।
কিন্তু অত্যান্ত দুঃখের বিষয় ভুমি খেকো চক্র ক্রমাগত ভাবে জাল দলিলাদি সৃষ্টি করে, দলীয় ও স্তানীয় প্রভাব বিস্তার করে বিল্ডিংয়ের ২ য় তলা পরে সবটাই দখল করে নিয়েছে। পার্টির পক্ষ থেকে এর জোরালো কোন প্রতিবাদ নেই।যে যার মত করে স্তাপনা তৈরা করছে,দেখার কেউ নেই।
পার্টির জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট নুরুল ইসলাম খান ২০২২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করলে চেয়ারম্যানের পদটি শুন্য হয়।পরের বছর এপ্রিল মাসে বৃটেন প্রবাসী শাহ আবিদ আলী সাহেবকে তিনিও ২০২৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
বর্তমানে জাতীয় কমিটির আংশিক মতামত ও সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরীর সম্মতি ক্রমে এডভোকেট হুমাইয়ুন কবির আকন সাহেবকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে।দলের নিবন্ধনের ব্যাপারে হাই-কোর্টে একটি রিট ছিল, তা নাকি হুমাইয়ুন কবির আকন সাহেব দরখাস্ত দিনে খারিজ করেছেন।এখন নাকি নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে নিবন্ধন নিবেন।
জাতীয় জনতা পার্টি একটি আদর্শিক রাজনৈতিক দল।দেশে বিদেশে যার অনেক সুনাম রয়েছে।বিশেষ করে সিলেট বিভাগে সাধারন মানুষের মাঝে এবং এই বিভাগের প্রবাসীদের কাছে এম এ জি ওসমানী ও জাতীয় জনতা পার্টির সম্মান আছে।তাই নিঃসার্থ ভাবে জাতীয় জনতা পার্টির গ্রহন যোগ্য জাতীয় কমিটি, গঠন ও সিলেট বাসীর সম্পৃক্তা বাড়িয়ে জাতীয় জনতা পার্টির নিবন্ধন সহ সকল কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য দাবী জানাই।
আশা করি দলের কাণ্ডারি দীর্ঘদিন সাধারন সম্পাদকের পদে থেকে জনতা পার্টিকে বাচিঁয়ে রেখেছেন, প্রবীণ মুরব্বী আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।