প্রতিকী ছবি:
অভ্যন্তরীন কোন্দলে জর্জরিত সিলেট মহানগরীর ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি। জুলাই আগষ্টের পর থেকে শুরু হয় এই কোন্দলের।
জানা যায়, গত ১০ জানুয়ারি এক জরুরি বৈঠকে সিলেট মহানগর আওতাধীন ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমির হোসেনকে বয়কট ঘোষণা করে তাকে বহিস্কার করার জন্য মহানগর নেতৃবৃন্দের কাছে আবেদন জানিয়েছেন ওয়ার্ড বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির ৪৮ জন সদস্য। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ড, দলীয় পদ ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিল এবং শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কটুক্তির করায় এই সিদ্ধান্ত নেন ওয়ার্ড বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
এরই সুত্র ধরে সৃষ্টি হয় চরম কোন্দল। সভাপতি আমির হোসেন ও অন্যান্যদের মধ্যে শুরু হয় মত বিভেদ। যার প্রতিফলন ঘটে আজ ১৯ ফেব্রুয়ারী রেজিস্ট্রি মাঠে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির সমাবেশ ও মিছিলে অংশ নেন পৃথক পৃথক ব্যানারে।
দেখা যায়, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমির হোসেন তার প্যানেলের নেতৃবৃন্দ কে নিয়ে মিছিল সহকারে রেজিস্ট্রি মাঠে যান। তার সাথে ওয়ার্ড বিএনপির কেহ ছিলেন না। তার কারন হিসাবে ধারণা করা হচ্ছে গত ১০ জানুয়ারির বয়কটের ঘোষণা।
এব্যাপারে মুঠোফোনে ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি তাদের ব্যাপারে
এদিকে অপর অংশের মিছিলে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মানিকুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে মহানগর সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুবেল বক্স,ওয়ার্ড বিএনপির কার্যনিবার্হী কমিটির সদস্য ও মহানগর বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট আক্তার বক্স জাহাঙ্গীর, ওয়ার্ড, ওয়ার্ডের প্রবীণ মুরব্বি ও কার্যনিবার্হী কমিটির সদস্য মইনুল হক চৌধুরী, ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, আনোয়ার হোসেন, আকবর আলী, আব্দুল রহিম, এনামুল হক, প্রমুখ।
অদ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের একটি পেইজ ক্রাইম সিলেটে, জনতার প্রতিবাদে বিভিন্ন লোকজনের নাম ও ছবি প্রকাশ করে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর হিসাবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। ক্রাইম সিলেট পেইজে সিলেট মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আমির হোসেন কে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা করে পোস্ট দেওয়া হয়।
চলমানঃ