বহিস্কৃত বিএনপিনেতা শাহ্পরানের নেতৃত্বে আবারো তামাবিল বন্দরে কমিটি গঠন। আগস্ট পর থেকে তামাবিল পোর্টে এবার নিয়ে ৫বার কমিটি গঠন ! শাহপরানকে কোনভাবেই থামাতে পারছেনা কেউ। বহিস্কার শাস্তি কোন কিছুরই তোয়াক্কা করছেনা সে।
আওয়ামীলীগ আমলের পোর্টখেকো জালালের লুট সহকারী ফারুখ ও লিয়াকতের সহযোগী রাসেলের নেতৃতে ও বহিস্কৃত বিএনপি নেতা শাহ্পরান , যুবদল নেতা জাহিদ খান, যুবদল নেতা বেলালের শেল্টার সমন্বয়ে বুধবার তামাবিল বন্দরে আরো একটি কমিঠি গঠন করা হয়েছে। যেই কমিটি নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ব্যবসায়ীরা l ইতিমধ্যে তারা সামাজিক মাধ্যমে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ীরা বলেন , আওয়ামীলীগের চিহ্নিত লুটেরারা এখনো তামাবিল পোর্ট লুটছে। কোন পরিবর্তন আসেনি বরং বৈষম্যবিরোধী নতুন জমানায় আওয়ামী লুটেরাদের যেখানে করা প্রকোষ্টে থাকার কথা – সেখানে তারা এখন মুক্ত বাতাসে বুক ফুলিয়ে ঘুরছে। এখনো তারাই তামাবিল পোর্টের হর্তাকর্তা হয়ে বসে আছে।
গোয়াইনঘাটের একজন লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা বলেন – তামাবিল পোর্টে আওয়ামীলীগের ফারুক ও রাসেলদের আবারো লুটপাটের সুযোগ করে দিচ্ছেন বহিস্কৃত বিএনপি নেতা শাহপরান।
১৬ বছর ধরে বঞ্চিত শোষনের শিকার ব্যবসায়ীরা শাহপরান ও বিএনপি নামধারী নেতাদের আওয়ামী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার তীব্র নিন্দা জানান। তারা শিগ্রী এদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবেন। জৈন্তা গোয়াইনঘাটের সর্বস্থরের মানুষদের নিয়ে এই লুটেরা চক্রের বিরুদ্ধে মানবন্ধন , পোর্ট ঘেরাও সহ নানা কর্মসূচির ডাক দিবেন।
সিলেট বিএনপির এক শীর্ষ নেতা বলেন বিএনপির কেউ আওয়ামী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় থাকতে পারবেনা l সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই দলীয় কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আর শাহপরান আমাদের দলের কেউ না।