সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
আমরা জুলাই যোদ্ধা সিলেট জেলা শাখার ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সরকারকে নিয়ে তীর্যক বক্তব্য দিয়ে দুঃখ প্রকাশ জেলা জামায়াত আমীরের সিলেটে মটর শ্রমিক কে আটকে ১০ হাজার চাইলেন মোগলাবাজার থানার এসআই নুর শাহিন সকল প্রকার ভাতা ভোগী অনলাইন ডকুমেন্ট সেবার নির্ভরযোগ্য ঠিকানা ই শপ জোন বিডি প্রেমের ছলে পাতানো ফাঁদে পা হাতিয়ে নেয় সর্বস্ব : আটকে রেখে দাবী করে মুক্তিপন বিয়ানীবাজারে পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য শহিদ রাষ্ট্র্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে সাবেক ছাত্রনেতা রিপনের শোক প্রকাশ গোয়াইনঘাটে ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল ও তার সহযোগীদের ড্রেজার তাণ্ডব, প্ দা-রামদা নিয়ে হামলা!  আহত ৪ : থানায় অভিযোগ দায়ের  ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাহবুবুল হক চৌধুরী ( ভিপি মাহবুব)  পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকার মোহাম্মদ ফাহিমের শুভেচ্ছা

আহমেদ আল কবিরের অবৈধ সম্পদের পাহাড়

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪
আহমেদ আল কবিরের অবৈধ সম্পদের পাহাড় - Banglar Mati

সিলেট-৫ আসনে স্বতন্ত্র থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হয়েছেন রূপালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আহমদ আল কবির। পেশাদারিত্বের পঁয়তাল্লিশ বছরের ইতিহাসের ত্রিশ বছর তার পরিচিতি ছিল শুধুমাত্র এনজিও সংস্থা সীমান্তিকের চীফ পেট্রোন। আর সর্বশেষ ১৫ বছরে তাঁর নামের আগে লেগেছে অর্থনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষানুরাগী, রাজনীতিবিদ, সমাজবিজ্ঞানী সহ আরো নানা পদ-পদবি। এসব পদ-পদবি দিয়ে হয়েছেন অসীম ক্ষমতার মালিকও।

লোক মুখে জানা যায়, তিনি যেখানেই হাত দেন সেখানে যেন সোনা ফলে। অথচ সেই সোনার ভেতরে কতটা খাদ তা কেউ জানে না। যারা জানে, তারা সবাই সুবিধাভোগী অথবা তলপিবাহক।

 

অভিযোগ রয়েছে নামের পেছনে ‘এমপি’ লাগাতে অবৈধ পথে কামানো কোটি কোটি টাকা খরচ করছেন।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ করা হয়েছে, অনিয়ম-দুর্নীতি আর প্রভাব রাজনীতিবিদদের নাম ভাঙিয়ে মাত্র ১৫ বছরে হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন সিলেটের আলোচিত এনজিও ব্যক্তিত্ব ড. আহমদ আল কবির। তবে কিভাবে তিনি এতো অর্সথম্পত্তির মালিক হয়েছেন এ নিয়ে নানা কৌতুহল রয়েছে অনেকের। তার সম্পত্তির উৎস সম্পর্কে অনেকের অজানা।

 

১৫ বছর আগে সিলেট শহরে তার বাসার জায়গা ছাড়া খুব বেশি স্থাবর সম্পত্তি ছিল না বলে জানা গেছে। এমন অবস্থায় অনেকের অভিযোগ, কয়েকবছরে তিনি ‘আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ’ – অঢেল সম্পত্তির মালিক। একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতাও হয়েছেন ড. আহমদ আল কবির। এছাড়া নামে-বেনামে আরও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করারও অভিযোগ রয়েছে।

প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের তলপিবাহক হিসেবে ২০০৯ সালে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। দুই মেয়াদে টানা দীর্ঘ ৬ বছর তিনি রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন।

স্থানীয় ও অভিযোগ থেকে জানা যায়, পারিবারিকভাবে অসচ্ছল ছিলেন না ড. আহমদ আল কবির। তবে হঠাৎ করে হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার প্রধান সিঁড়ী ছিল ‘রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান’ পরিচয় এবং রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া।

 

 

এছাড়া বিভিন্ন তথ্য সূত্রে অনেকের অভিযোগ, ২০০৯ সালে ‘রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান’ হওয়ার পরে ব্যাংকটির একক অধিপতি হয়ে ওঠেন ড. আহমদ আল কবির। ব্যাংকের নিরাপত্তা কর্মী থেকে উচ্চপদস্থ শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়োগ হয় তার হাত ধরেই। পুর্ণাঙ্গ সরকারি এই চাকরির জন্য জনপ্রতি ৮ থেকে ১০লাখ টাকা করে ঘুষ নেন তিনি। এছাড়াও ছিল, ব্যাংকঋণ বাণিজ্য। বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার মাধ্যমে একেক প্রতিষ্ঠানকে হাজার কোটি টাকার লোন দিয়েছেন তিনি। এতে করে নিজে হয়েছেন অঢেল অর্থবিত্তের মালিক, আর সরকারি এই ব্যাংকটিকে নিয়ে গেছেন দেউলিয়ার পথে। এখানেই শেষ নয়, তার রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়ার পেছনে আরো রয়েছে, করোনা টেস্ট বাণিজ্য, অবৈধ পন্থায় সরকারি জমি লিজ গ্রহন, অবৈধ মানবপাচার ব্যবসাসহ সর্বোপরি ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল কানেকশন।

সূত্র: আওয়ার নিউজ

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© বাংলার মাটি মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102