গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির ৪১ নং সদস্য জুবের আহমদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য ও ২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম শাহিন। তিনি গতকাল শুক্রবার লিখিত আবেদনটি করেন।
লিখিত অভিযোগে এসএম শাহিন উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্টের আগে আওয়ামী বাকশাল সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে, মিটিং-মিছিলে, নিষ্ক্রিয় থেকে আওয়ামি লীগের সাথে আতাঁতকারী জুবের এখন নিজের গ্রুপে লোক বাড়াতে আওয়ামিলীগের দুঃশাসনের আমলে সীমান্তবর্তী বুঙ্গার লাইন চালানো ও মিটিং মিছিলে সক্রিয় থাকা জুবেরের ভাই, বাতিজা, ভাগনা মিলে এমপি ইমরানের সেল্টারে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করে জাতীয়তাবাদী বিএনপি ও যুবদলের অসহায় কর্মীদেরকে মামলা-হামলায় নির্যাতন করেন।
এছাড়া তিনিসহ তার ভাইয়েরা বিজিবি, ডিবি, পুলিশের লাইনম্যান হিসাবে চোরাচালানের লাইন নিয়ন্ত্রন করতেন। জুবেরের ভাই আওয়ামিলীগ নেতা কাজী সিরাজ, জাহের, নাজিম, দুলাল, নবী, হুমায়ূন, মুজাম্মিল সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। সরকার পরিবর্তন হওয়ার সাথে-সাথে জুবের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও যুবদলের মিটিং মিছিলে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছেন, এতে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হচ্ছে। দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে বিগত উপজেলা নির্বাচনকারী বহিষ্কৃত নেতা শাহ আলম স্বপনের নির্বাচনের প্রচার প্রচারনায় রাতের আধারে পোস্টার লাগাতে ব্যস্ত থাকা জুবের আওয়ামী লীগের আমলে তার ভাই ভাতিজার ছত্রছায়ায় অবৈধ ভাবে টাকা কামিয়ে গত ৫আগস্টের পর থেকে বিএনপি ও যুবদলের মিছিল মিটিংয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছেন।
লিখিত অভিযোগ দায়ের কালে শাহিন বিগত দিনে জুবের আহমদসহ তার ভাই, ভাতিজার আওয়ামিলীগের মিছিল মিটিংয়ে ও ইমরান এমপির সাথে সাক্ষাতের ছবি স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল থাকা স্ক্রিনশট জেলা নেতৃবৃন্দের কাছে জমা দেন। উল্লেখিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী এসব কারনে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি জেলা যুবদলের সভাপতি এডভোকেট মুমিনুল ইসলাম মুমনি সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ এর কাছে লিখিত আবেদনটি করেন।