স্টাফ রিপোর্টার:: সিলেটের ওসমানীনগরের লন্ডন প্রবাসী রফিক মিয়ার বদলে বিয়ানীবাজারের ৫৮ বছর বয়সী ট্রাকচালক মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন টানা ২০ দিন জে’ল খেটেছেন। অর্থের বিনিময়ে কি না সেই প্রশ্ন ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছে একজন আইনজীবীর হাত ধরে আদালতের ভেতরে ঘটা এক দু”র্ধর্ষ জা”লিয়াতি। চা’ঞ্চল্যকর এই ঘ’টনায় অ’ভিযুক্ত আইনজীবী হুমায়ুন কবীর অবশেষে আদালতে লিখিতভাবে বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
প্রকৃত ঘটনা কি ঘটেছিল…..?
প্রকৃত আসামি রফিক মিয়া থাকেন লন্ডনে। লন্ডনে থাকা বস্থায় তাঁর নাম ধারণ করে আত্মসমর্পণ করেন ট্রাকচালক আমিন উদ্দিন।আর এই জালিয়াতির নেপথ্যে ছিলেন সিলেট জেলা জজ আদালতের আইনজীবী হুমায়ুন কবীর। এই জালিয়াতির প্রক্রিয়ার সম্পুর্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন হুমায়ুন কবির। দীর্ঘ তিন বছর পর আদালতে দেওয়া আবেদনে আইনজীবী স্বীকার করেন যে, প্রকৃত আসামির বদলে ভিন্ন ব্যক্তি জেল খেটেছেন।
যুক্তরাজ্য থেকে কলকাঠি নাড়ছেন আসামী:
আইনজীবীদের অভিযোগ, প্রকৃত আসামি দিব্যি লন্ডনে আয়েশ করছেন এবং সেখান থেকেই সব কলকাঠি নাড়া হচ্ছে। আদালতের সাথে এমন ‘দুষ্কর্ম’ করার দুঃসাহস যেন কেউ না পায়, সেজন্য বিজ্ঞ আদালতের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সিলেট ইন্টার ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়েও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ রয়েছে অভিযুক্ত আইনজীবী হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে কেবল আদালত জালিয়াতিই নয়, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তহবিল থেকে লাখ লাখ টাকা হা’তিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক হয়েও এমন লালসা থেকে রেহাই পায়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল। এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন অভিযুক্ত এই আইনজীবী।
আদালত প্রাঙ্গণে এমন জালিয়াতি কি আইনের শাসনের ওপর বড় আঘাত নয় কি..? বলে মতামত প্রকাশ করেন সিলেট বাসী সহ সচেতন মহলের প্রশ্ন।