সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেছেন, কিশোরগ্যাং থাকবে না, এটা আমার পরিষ্কার বক্তব্য। কিশোর গ্যাং যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানে আমরা ধরবো। ইদানিং আমরা একটা প্রবণতা লক্ষ্য করছি, রাত ১১টা, ১২টা বা ১টার দিকে বিভিন্ন জায়গায় ফুটবল খেলা হচ্ছে, ক্রিকেট খেলা হচ্ছে—তো এটাকে আমরা সন্দেহের চোখে দেখছি এবং এগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। রাস্তার মোড়ে, কোনো জায়গায় এরকম কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং-এ ধরনের ঘটনাগুলোকে কিন্তু আইনগতভাবে মোকাবেলা করা হবে এবং আইনটাকে কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে।
মঙ্গলবার (৩মার্চ) দিবাগত ১২টার দিকে চৌহাট্টা পয়েন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, ঈদকে সামনে রেখে নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে পুলিশের আটটি বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে তিনটি স্থায়ী এবং ১২টি স্পট চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত এই নিরাপত্তা কার্যক্রম চলমান থাকবে। বিশেষ করে শপিং মল এবং যেখানে জনসমাগম বেশি, সেখানে বিশেষ পুলিশ ফোর্স ও সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে কেনাকাটা ও চলাচল করতে পারে।
জনগণের প্রতি আইন মেনে চলার অনুরোধ জানিয়ে এসএমপি কমিশনার বলেন, আইনটাকে মেনে চলতে হবে। আমাদের এখানে দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে এই কালচারগুলা গড়ে ওঠে নাই। এখন আমরা মানবিক পুলিশ হওয়ার কথা বলছি। আমাদের প্রত্যেকটা অফিসার ফোর্সকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জনগণের সাথে যেন দুর্ব্যবহার না করেন। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা লক্ষ্য করছি যে, জনগণ উল্টা পুলিশের কাজের ওপর হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে এবং চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং এগুলোকে আমরা আইনীভাবে মোকাবিলা করব।






