সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
আমরা জুলাই যোদ্ধা সিলেট জেলা শাখার ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সরকারকে নিয়ে তীর্যক বক্তব্য দিয়ে দুঃখ প্রকাশ জেলা জামায়াত আমীরের সিলেটে মটর শ্রমিক কে আটকে ১০ হাজার চাইলেন মোগলাবাজার থানার এসআই নুর শাহিন সকল প্রকার ভাতা ভোগী অনলাইন ডকুমেন্ট সেবার নির্ভরযোগ্য ঠিকানা ই শপ জোন বিডি প্রেমের ছলে পাতানো ফাঁদে পা হাতিয়ে নেয় সর্বস্ব : আটকে রেখে দাবী করে মুক্তিপন বিয়ানীবাজারে পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য শহিদ রাষ্ট্র্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে সাবেক ছাত্রনেতা রিপনের শোক প্রকাশ গোয়াইনঘাটে ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল ও তার সহযোগীদের ড্রেজার তাণ্ডব, প্ দা-রামদা নিয়ে হামলা!  আহত ৪ : থানায় অভিযোগ দায়ের  ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাহবুবুল হক চৌধুরী ( ভিপি মাহবুব)  পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকার মোহাম্মদ ফাহিমের শুভেচ্ছা

নগরীর বাদাম বাগিচায় শিশুকে ফেরিওয়ালা কতৃক ধর্ষনের চেষ্টা : ২০ হাজার টাকায় রফাদফা

ষ্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
নগরীর বাদাম বাগিচায়  শিশুকে ফেরিওয়ালা কতৃক ধর্ষনের চেষ্টা : ২০ হাজার টাকায় রফাদফা - Banglar Mati

সিলেট নগরীর বাদাম বাগিছা এলাকার  ১নং গলিতে রাজা মিয়ার কলোনীতে ফেরিওয়ালা মনির কতৃক  আনুমানিক ১২ বছরের  শিশুকে ধর্ষনের চেষ্টা। বাদাম বাগিছা এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে কালাম ও শ্রমিক নেতা রাসেলের  মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। 

 

জানা যায় ফেরিওয়ালা মনির শহরতলীর পীরের বাজার এলাকার বাসিন্দা। সে মেয়ের বিভিন্ন ধরনের কসমেটিক ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাইকারি বিক্রি করত।

 

৩০ আগষ্ট  সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় কলোনির লোকজনের  অনুপস্থিতিতে ফেরিওয়ালা বাথরুমে ডুকে মেয়েটিকে জোর পুর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে। তখন মেয়েটির চিৎকার শুনে কলোনির লোকজন এসে মনির কে আটক করে বাথরুমে আটকে রাখে। ঘটনার জানাজানি হলে কলোনির মালিক মৃতঃ রাজা মিয়ার  কালাম  মিয়া ঘটনাস্থলে আসেন।

 

পরবর্তীতে মনিরের স্ত্রী, আত্নীয় স্বজনরা বাদাম বাগিছা এলাকায় আসেন। এসময় কালাম মিয়া ও পীরের বাজার এলাকার শ্রমিক নেতা রাসেলের মাধ্যমে গোপন সালিশ বসিয়ে  ফেরিওয়ালা মনির নিকট হইতে নগদ ২০ হাজার নিয়ে বিষয়টি সমাধান করেন।

এব্যাপারে মুঠোফোনে কালাম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন ফেরিওয়ালা মনিরের আত্মীয় স্বজন ও  পীরের বাজার এলাকার শ্রমিকদল নেতার মাধ্যমে মেয়েটির ইজ্জত নষ্ট করার জন্য বিশ হাজার টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করা হয়।

এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জৈনক ব্যক্তি জানান, মৃত রাজা মিয়ার ছেলে কালাম ও তার ভাই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি। ইলাল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে খুব নামীদামী নেতা ছিল। এলাকায় তাদের ভয়ে মানুষ কোন প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। তাই বাধ্যতামুলক ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে হয়েছে ভিকটিমের পরিবারকে। তাছাড়া শ্রমিক নেতা রাসেল ও কালামের পুর্ব পরিচয় ছিল।

এঘটনা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।  ধর্ষনের মত একটি অপরাধ কিভাবে রাজা মিয়ার ছেলে কালামের মাধ্যমে কিভাবে নিষ্পত্তি করা হয়। বিষয়টি আইনের আওতায় আনার দাবী ও জানান এলাকার সর্বস্তরের বাসিন্দারা। এবং অপরাধী মনিরের শাস্তি দাবি করেন।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© বাংলার মাটি মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102