সিলেট নগরীর বাদাম বাগিছা এলাকার ১নং গলিতে রাজা মিয়ার কলোনীতে ফেরিওয়ালা মনির কতৃক আনুমানিক ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষনের চেষ্টা। বাদাম বাগিছা এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে কালাম ও শ্রমিক নেতা রাসেলের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
জানা যায় ফেরিওয়ালা মনির শহরতলীর পীরের বাজার এলাকার বাসিন্দা। সে মেয়ের বিভিন্ন ধরনের কসমেটিক ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাইকারি বিক্রি করত।
৩০ আগষ্ট সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় কলোনির লোকজনের অনুপস্থিতিতে ফেরিওয়ালা বাথরুমে ডুকে মেয়েটিকে জোর পুর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে। তখন মেয়েটির চিৎকার শুনে কলোনির লোকজন এসে মনির কে আটক করে বাথরুমে আটকে রাখে। ঘটনার জানাজানি হলে কলোনির মালিক মৃতঃ রাজা মিয়ার কালাম মিয়া ঘটনাস্থলে আসেন।
পরবর্তীতে মনিরের স্ত্রী, আত্নীয় স্বজনরা বাদাম বাগিছা এলাকায় আসেন। এসময় কালাম মিয়া ও পীরের বাজার এলাকার শ্রমিক নেতা রাসেলের মাধ্যমে গোপন সালিশ বসিয়ে ফেরিওয়ালা মনির নিকট হইতে নগদ ২০ হাজার নিয়ে বিষয়টি সমাধান করেন।
এব্যাপারে মুঠোফোনে কালাম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন ফেরিওয়ালা মনিরের আত্মীয় স্বজন ও পীরের বাজার এলাকার শ্রমিকদল নেতার মাধ্যমে মেয়েটির ইজ্জত নষ্ট করার জন্য বিশ হাজার টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করা হয়।
এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জৈনক ব্যক্তি জানান, মৃত রাজা মিয়ার ছেলে কালাম ও তার ভাই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি। ইলাল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে খুব নামীদামী নেতা ছিল। এলাকায় তাদের ভয়ে মানুষ কোন প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। তাই বাধ্যতামুলক ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে হয়েছে ভিকটিমের পরিবারকে। তাছাড়া শ্রমিক নেতা রাসেল ও কালামের পুর্ব পরিচয় ছিল।
এঘটনা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ধর্ষনের মত একটি অপরাধ কিভাবে রাজা মিয়ার ছেলে কালামের মাধ্যমে কিভাবে নিষ্পত্তি করা হয়। বিষয়টি আইনের আওতায় আনার দাবী ও জানান এলাকার সর্বস্তরের বাসিন্দারা। এবং অপরাধী মনিরের শাস্তি দাবি করেন।