মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ ::
আমরা জুলাই যোদ্ধা সিলেট জেলা শাখার ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সরকারকে নিয়ে তীর্যক বক্তব্য দিয়ে দুঃখ প্রকাশ জেলা জামায়াত আমীরের সিলেটে মটর শ্রমিক কে আটকে ১০ হাজার চাইলেন মোগলাবাজার থানার এসআই নুর শাহিন সকল প্রকার ভাতা ভোগী অনলাইন ডকুমেন্ট সেবার নির্ভরযোগ্য ঠিকানা ই শপ জোন বিডি প্রেমের ছলে পাতানো ফাঁদে পা হাতিয়ে নেয় সর্বস্ব : আটকে রেখে দাবী করে মুক্তিপন বিয়ানীবাজারে পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য শহিদ রাষ্ট্র্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে সাবেক ছাত্রনেতা রিপনের শোক প্রকাশ গোয়াইনঘাটে ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল ও তার সহযোগীদের ড্রেজার তাণ্ডব, প্ দা-রামদা নিয়ে হামলা!  আহত ৪ : থানায় অভিযোগ দায়ের  ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাহবুবুল হক চৌধুরী ( ভিপি মাহবুব)  পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকার মোহাম্মদ ফাহিমের শুভেচ্ছা

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু - Banglar Mati

গত বছরের জুলাই অগাস্টে ছাত্র জনতার আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন।

অভিযুক্ত অন্য দুজন হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এই মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন, ষড়যন্ত্রের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এরমধ্যে শুধুমাত্র সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন মামলায় গ্রেফতার একমাত্র আসামি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন নিজের অপরাধ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন বলে প্রসিকিউশন জানিয়েছে। এর মাধ্যমে জুলাই গণহত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিন জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। আসামিদের পক্ষে ছিলেন পক্ষে ছিলেন শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গত পহেলা জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফর্মাল চার্জ) আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

শেখ হাসিনার পাশাপাশি এই মামলায় অভিযুক্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।

এদিন ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

গত ১৬ই জুন ট্র্যাইব্যুনাল-১ শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে আগামী সাতদিনের মধ্যে হাজির হতে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। পরদিন দু’টি পত্রিকায় শেখ হাসিনা ও কামালকে সাতদিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।

তবে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পরও পলাতক দুই আসামি ট্রাইব্যুনালে হাজির না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল পহেলা জুলাই অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন। সে ধারাবাহিকতায় পহেলা জুলাই শুনানি শেষে পরবর্তী শুনানির জন্য ট্রাইব্যুনাল-১ আজ সোমবার দিন ধার্য করেছিলো।

২০২৫শেখ হাসিনার অডিও বিশ্লেষণ নিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে আইসিসিতে বিচার দাবি অ্যামনেস্টির।

গত বছরের ১লা জুলাই থেকে ১৫ই অগাস্ট বাংলাদেশে যা ঘটেছে, সেই প্রতিটি ঘটনার বিচার রোম সনদের ১৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাউথ এশিয়া ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়।

মূলত বুধবার বিবিসি আই এবং বিবিসি বাংলার যৌথ প্রযোজনায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁস হওয়া অডিও বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে, আন্দোলন দমনে তিনি সরাসরি মারণাস্ত্র নিয়ে গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এই তথ্যের ভিত্তিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আবারও কর্তৃপক্ষের প্রতি সহিংসতার জন্য দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত জাতিসংঘের একটি তথ্য অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দাবি করা হয় যে, ওই বিক্ষোভে প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হয়েছিলেন, “যার মধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ নিহত হয়েছেন সামরিক বাহিনীর রাইফেল ও শটগানের গুলিতে, যার মধ্যে ছিল প্রাণঘাতী ধাতব ছররা – যা সাধারণত বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করে থাকে। আরও হাজার হাজার মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। যা তাদের স্বাভাবিক জীবন বদলে দিয়েছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের উচিত এই সময়ে সংঘটিত সব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর একটি স্বাধীন তদন্ত নিশ্চিত করা, যার পর একটি নিরপেক্ষ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষীদের বিচার করা হবে – যাতে যথাযথ প্রক্রিয়াগত সুরক্ষা বজায় থাকে।

তবে বিচারের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের কোনও ব্যবস্থা যেন না থাকে সেই বিষয়টিও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে।

এই বিচার শুধু যারা সহিংসতা চালিয়েছে তাদের নয়, বরং যারা এর নির্দেশ দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও হওয়া উচিত বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© বাংলার মাটি মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102