সদা হাস্যেজ্জল সর্বস্তরের জনগণ ও নেতাকর্মীদের প্রিয় ও আস্থাভাজন নেতা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সিলেট বিএনপির ত্যাগী নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। দুঃসময়ে সময় খন্দকার মুক্তাদির বিএনপির দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। বিএনপির রাজনীতির জন্য বেশ কয়েকবার জেল জুলুম ও অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন। তবু ও পিছ-পা হননি।
বিএনপির কাউন্সিলে তাকে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা করা হয়। সিলেট বিএনপিতে এখন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের জনপ্রিয়তা বেশি। শহিদ জিয়ার আর্দশ ও দলের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা এবং দায়িত্ব কে সামনে তিনি দলের জন্য নিবেদিত হয়ে উঠেন। সিলেট বিএনপিকে দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া থেকে পুনর্গঠন করে আন্দোলন সংগ্রাম মুখী করতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন খন্দকার মুক্তাদির।
২০১৮ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারির পর থেকে তিনি সিলেট ছাড়েন নি। আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে রয়েছেন। ৯ই ফেব্রুয়ারি নগরীর নয়াসড়ক এলাকায় আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে বিএনপি পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ করেছে। চলমান আন্দোলনে অগ্রভাগে থেকে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন। নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখছেন মুক্তাদির। দলের দুর্দিনে সবাইকে শান্ত থেকে এক হয়ে আন্দোলন চালানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। শুধু ২০১৮ সাল নয় বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে দলের সন্মুখ সারিতে থেকে দিক নির্দেশনা ও দিয়েছেন খন্দকার মুক্তাদির।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সিলেট বিএনপির মধ্যে শুরু হয় টানাপোড়েন। নির্যাতন, জুলুম অত্যাচার, আর মামলা হামলায় দলের নেতাকর্মীদের বেহাল অবস্থা ঠিক সেই সময় দলের হাল ধরেন খন্দকার মুক্তাদির। তৎকালীন সিলেট বিএনপির সিনিয়র নেতা এম,এ,হকের সাথে তিনি দলের নেতাকর্মীদের নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। সিলেটের বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের আশার প্রদীপ জ্বলে উঠে। শুরু হয় আন্দোলন সংগ্রামের প্রস্তুতি।
আওয়ামী দুঃশাসনের নির্যাতন, দলীয় কোন্দল, নেতৃত্বহীনতা এবং মূল সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের অনিয়মিত কমিটি গঠনের কারণে সিলেট বিএনপি স্থবির হয়ে গিয়েছিল। খন্দকার মুক্তাদির নতুন প্রাণ সঞ্চার করেন।
নেতাকর্মীদের জেল-জুলুম, দলীয় কোন্দল, এক গ্রুপের নেতার সাথে অন্য গ্রুপের বিরোধের কারণে দিশেহারা হয়ে যাওয়া সিলেট বিএনপির কর্মীরা খন্দকার মুক্তাদিরের ডাকে গ্রুপিং ভুলে এক টেবিলে বসে। আন্দোলন সংগ্রামে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সব নেতাকর্মী রাজপথে মিলিত হওয়ার এই সৌন্দর্যের কারিগর খন্দকার মুক্তাদির।
তখন তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের জেলগেটে দেখা করেন, কোর্টে মামলা পরিচালনার জন্য দলীয় আইনজীবীদের দিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন এবং নিজের অর্থায়নে মামলা পরিচালনা করেন। কারাবন্দী নেতা কর্মীদের পরিবারের খোঁজ নেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। এছাড়া, অসুস্থ প্রবীণ নেতৃবৃন্দের আর্থিক সহায়তা করেন।
তাছাড়া ও বিগত সময়ে করোনা ও ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন খন্দকার মুক্তাদির। নিজ উদ্যেগে ও দলীয় ব্যানারে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
জুলাই আগষ্টের আন্দোলনের পর ও দলের শৃঙ্খলা বজায়, নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি সহ দলকে জন সম্মুখে উপস্থাপন করতে বদ্ধপরিকর।