বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “কথিত অল্প সংস্কার আর বেশি সংস্কারের অভিনব শর্তের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে আগামী জাতীয় নির্বাচনের ভবিষ্যত।”
“জনগণ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে সংস্কার নিয়ে সময়ক্ষেপণের আড়ালে অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে ও বাইরে কারও কারও মনে হয় ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে।”
ঢাকায় বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘তারুণ্যের সমাবেশে’ ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেওয়ার সময় একথা বলেন মি. রহমান।
তিনি বলেন, সংস্কার ইস্যুর পাশাপাশি সরকারের উচিত জাতীয় নির্বাচনের দৃশ্যমান প্রস্তুতি নেয়া।
“আগামী নির্বাচনে জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশ ও জনগণের কল্যাণে দলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। তবে যে কোনো দলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হলে দরকার একটি জবাবদিহিমূলক ও নির্বাচতি সরকার।”
তারেক রহমান বলেন, “পলাতক স্বৈরাচারের সময় দেখেছি কিভাবে তারা আদালতকে, আদালতের রায়কে অবজ্ঞা করেছে। স্বৈরাচারের পর মানুষ আশা করেছিলো আদালতের প্রতি সম্মান দেখাবে। আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান না দেখিয়ে ইশরাক হোসেনকে যারা বাধা সৃষ্টি করেছে তাতে স্বৈরাচারের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে পাচ্ছি।”
“যারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখায় না, যারা আদালতের নির্দেশ অবজ্ঞা করে তাদের কাছ থেকে কতটা সংস্কার আশা করতে পারি?” বলছিলেন তিনি।
ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণে বাধা সৃষ্টিতে স্বৈরাচারি মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।