আরমান আহমদ চৌধুরী নাঈম:: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এখন সারা বাংলাদেশের মধ্যে বয়ে চলছে বিভাগীয় পর্যায়ে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের দমকা হাওয়া। তারই প্রক্ষিতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে চলছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তোড়জোড়। এরই মধ্যে সরকার দলীয়, বিএনপি -জামায়াত সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার মুলক ফেস্টুন নগরীর সর্বত্র দেখা যাচ্ছে। কেউ মেয়র প্রার্থী আবার কেউ কাউন্সিলর।
এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৯ নং ওয়ার্ডের মধ্যে কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের অনেকেই তাদের নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেন। এদের মধ্যে অনেকেই ওয়ার্ডের মধ্যে সর্ব মহলে পরিচিত ও প্রশংসনীয়।
৯ নং ওয়ার্ডে সাবেক তাঁতি দলের সভাপতি মরহুম শওকত আলীর ছেলে ও সিলেট বিএনপির সর্বমহলে পরিচিত বিএনপি নেতা ওসমান আলীর নাতী বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজান। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সুদুর প্রবাসে থেকে আন্দোলন সংগ্রামে থাকা নেতাকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে গেছেন। ২০২০ করোনা মহামারী, ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায় ওয়ার্ডবাসীর পাশে থেকে নানা রকমের মানবিক সাহায্য সহায়তা করে বেশ প্রশংসা অর্জন করেছেন। গত জুলাই আগষ্টের আন্দোলনের সময় ও তার বিশেষ ভুমিকা রয়েছে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ ও সহায়তায়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মামলা হামলায় হয়রানির শিকার হয়ে বাধ্যতামুলক দেশ ত্যাগ করেন। মামলার আসামি হওয়ায় নিজের দাদা প্রবীন বিএনপির রাজনীতিবিদ ওসমান আলী ও পিতা সিলেটের রাজপথ কাঁপানো বিএনপি নেতা শওকত আলী মৃত্যুকালীন সময়ে দেশে আসতে পারেন নি।
জুলাই আগষ্টের আন্দোলনের পর দেশে এসে পরিবারের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ওয়ার্ডবাসীর পাশে থেকে সেবা করার জন্য সিসিকের মধ্যে অন্যতম ৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেন। তিনি ওয়ার্ডের সর্বমহলের কাছে আলোচনায় রয়েছেন। বর্তমানে তারুণ্যের জয়জয়কার।
বর্তমানে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের মধ্যে তিনি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত ও বুনিয়াদি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পরিবারের সন্তান। তাছাড়া বিএনপি, ছাত্রদল,যুবদলের অনেক নেতৃবৃন্দ তাকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মনস্তাত্ত্বিক সার্পোট দিয়ে তাকে সহযোগিতা করার ব্যাপারে আস্বস্ত করেছেন।
উল্লেখ্য মিজানুর রহমান মিজানের পিতা শওকত আলী ২০০১ সালের ১ম নির্বাচন সহ ৩ টি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করেন। তাহার ফুফু কুলসুমা বেগম ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করেন। বংশপরম্পরায় তিনি ও ইউরোপের বিলাসবহুল গাড়ি বাড়ী ছেড়ে দেশ জাতি ও ওয়ার্ডবাসীর কল্যানে কাজ করে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতি জনমানুষের আস্থা রাখতে কাজ করতে চান।
এব্যাপারে মিজানুর রহমান মিজানের সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপে কল করলে তিনি জানান, আমি আমার পারিবারিক অবস্থান থেকে ৯ নং ওয়ার্ডবাসীর সেবায় কাজ করতে চাই। আমার মুল উদ্দেশ্য জনসেবা। কাউন্সিলর হয়ে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের কোন ইচ্ছে নেই। আমার পুর্বসুরীদের রেখে যাওয়া সম্পদ ভোগ করে জীবনের বাকি সময় জনসেবা মুলক কাজ করে যেতে চাই।
তিনি আরো বলেন, আমি ওয়ার্ডবাসী সহ সর্বস্তরের জনসাধারণ ও দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করি। আপনাদের সহযোগিতা ও পবিত্র আমানত ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার জন্য নির্বাচিত করার আহবান জানাই।