সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় মাহদিয়া ফার্মেসীর ম্যানেজার সাকিব (৩৫) কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। কুখ্যাত সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ নেতা সাহান ও সহযোগীদের দাবি করা চাঁদা না দেওয়ায় হত্যা মামলার আসামির তালিকায় তার নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পরদিন সন্ত্রাসী সাহান মাহদিয়া ফার্মেসীর ম্যানেজার সাকিব হাসানকে ফোন করে হত্যা ও গুম করার হুমকি প্রদান করে। সন্ত্রাসীদের ভয়ে সাকিব আত্নগোপন করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সাকিবের বাবাকে ধরে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে। পরে তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার কে গুম প্রাননাশের হুমকি দেয়। ১৫ ফেব্রুয়ারী রাতে সাহান ও তার সহযোগীরা সাকিবের বসত বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে।
পরদিন কুলাউড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করলে কোন সুফল পায় নি সাকিবের পরিবার। সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতার কর্মী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না উপজেলাবাসী। পরবর্তীতে সন্ত্রাসীরা পুলিশ কে মেনেজ করে কুলাউড়া থানায় একটি হত্যা মামলায় সাকিব কে প্রধান আসামি করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তাদের ভয়ে সাকিব হাসান লোক চক্ষুর অন্তরালে নিজের নিরাপত্তার জন্য জন্য জাপানে পাড়ি জমান।
এব্যাপারে হোয়াটসঅ্যাপে সাকিবের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি একজন সাধারন মানুষ তাদের রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষমতা ও টাকার কাছে হেরে গেলাম। আমি মামলা করার পরও পুলিশ আমাকে সহযোগিতা না করে তাদের ভয়ে আমার উপর পাল্টা হত্যা মামলা দায়ের করে। আলমগীর আলম শাহান ও তার ছোট ভাই মান্নার হাতে জিন্মি আমি ও আমার পরিবার। আমি প্রবাসে চলে আসলে ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আমি দেশে গেলে তারা আমাকে প্রানে মেরে ফেলবে।
এব্যাপারে সাকিবের বাবা জানান, চাঁদা দিলে মামলা থেকে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হবে। তা না হলে আমাকে ও আমার পরিবারের সবাইকে প্রাননাশের হুমকি ও বিভিন্ন মামলা হামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হবে জানায় সন্ত্রাসী সাহান। আমি প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করে ও কোন লাভ হচ্ছে না। সন্ত্রাসী সাহান বাহিনী আমার ছেলে সাকিব কে মেরে ফেলবে। আমার ছেলে দেশে নিরাপদ নয়। আমি আমার ছেলের নিরাপত্তা চাই।