শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ ::
সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্ত চোরাচালানের জগতে অপ্রতিরূদ্ধ গোলাম হোসেন ওরফে বুঙ্গারি গোলাম, প্রশাসনের নীরব ভুমিকা..! ওসমানী নগরে যুক্তরাজ্য প্রবাসীর বদলে কারাবাস করলেন বিয়ানীবাজারের ট্রাক চালক সিলেটে বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির! জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব পড়বে না সিলেট নগরীর সার্কিট হাউজ এলাকা থেকে টাইগার জামাল কে আটক করে (র‍্যাব-৯) সিসিক কর্মকর্তা চন্দন দাশের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ সহ নানান দুর্নীতির অভিযোগ আশুলিয়ায় দৈনিক সমাচারের ঢাকা প্রতিনিধিকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা আগামীকাল রবিবার সিলেটে বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় সিলেটে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস পালিত রোগ নির্ণয় ও সমন্বিত চিকিৎসায় হিমোফিলিয়া রোগীরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন ..অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোঃ  জিয়াউর রহমান চৌধুরী ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে হ্যারিকেন, মোমবাতি ও কুপিবাতি নিয়ে পদযাত্রার উদ্যোগ গ্রহণ

বিদ্রোহী নাকি পরিশোধিত আ. লীগ— সমকালের প্রধান শিরোনাম

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫
বিদ্রোহী নাকি পরিশোধিত আ. লীগ— সমকালের প্রধান শিরোনাম - Banglar Mati

বিদ্রোহী নাকি পরিশোধিত আওয়ামী লীগ : এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, তা নিয়ে রাজনীতির অন্দরমহলে চলছে টানাপোড়েন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে আওয়ামী লীগ নিয়ে দুইটি বিকল্প ভাবনার কথা জানতে পারছে সমকাল।

একটি পক্ষ চায়, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সবাইকে বাদ দিয়ে বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ গঠন করানো।

আরেকটি বিকল্প হলো, শেখ হাসিনার সম্মতিতে তার পরিবর্তে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতাদের নেতৃত্বে ‘রিফাইন্ড’ তথা পরিশোধিত আওয়ামী লীগকে ভোটে রাখা।

এদিকে, রাজনৈতিক সূত্রগুলো সমকালকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সরকারকে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরামর্শ দিয়েছে। এ চাওয়া পূরণে শেখ হাসিনাবিরোধী নেতাদের আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে সুযোগ দেওয়া যায় কি না, এ ভাবনা রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের একাংশের মধ্যে।

তবে এ সুযোগ পেতে হাসিনাবিরোধী নেতাদের জুলাই গণহত্যা, তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন, গুম-খুন, ব্যাংক লুট, টাকা পাচারের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। এই প্রক্রিয়াকে ‘রিকনসিলিয়েশন’ বলতে চাচ্ছেন কেউ কেউ।

তাতে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের কয়েকজনের সায় আছে।

বিএনপির সূত্রগুলো সমকালকে জানায়, শেখ হাসিনা এবং যাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে, তাদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে এলে আপত্তি নেই দলটির।

এদিকে, রাজনৈতিক অঙ্গনে শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীকে এ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা আছে। তবে তিনি ‘বিদ্রোহী’ হতে রাজি নন।

পুলিশের বিশেষ বৈঠক নিয়ে ক্ষুব্ধ সদর দপ্তর— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার রাজধানীর পুলিশ অফিসার্স ম্যাচে অর্ধশতাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বিশেষ বৈঠকে বসেন। যা নিয়ে বাহিনীটির মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

অনুমতি ছাড়া এ বৈঠকে অংশ নেওয়ার কারণে কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে এরই মধ্যে ব্যাখ্যাও চেয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

জানা গেছে, ডিআইজির ওই বৈঠকে ছিলেন একজন কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও একাধিক পুলিশ সুপার।

এতে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের অনেকেই বিএনপি সমমনা হিসেবে বাহিনীতে পরিচিত। এক অতিরিক্ত ডিআইজি বৈঠকিটির সমন্বয় করেন।

পুলিশ কর্মকর্তারা বৈঠকটিতে বাহিনীর ভেতরে বিভিন্ন গ্রুপিং নিয়ে আলোচনা করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

জানতে চাইলে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেন, ‘পুলিশ একটি ডিসিপ্লিন ফোর্স। সদর দপ্তরকে না জানিয়ে কর্মকর্তারা স্টেশন ত্যাগ করতে পারেন না। এর ব্যাখ্যাই তাদের কাছে চাওয়া হয়েছে।’

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা। খবরে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার থামাতে মাসখানেক আগে অনুরোধ জানিয়েছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

কিন্তু তার অনুরোধেও ঐক্য বিনষ্টকারীদের অপচেষ্টা থামেনি।

কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট বেশ কিছু দিন ধরেই সেনাপ্রধান সম্পর্কে কটূক্তি ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ নিজের ফেসবুক পোস্টে ‘ক্যান্টনমেন্টের চাপ’-এর কথা বলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন।

যদিও তার এই বক্তব্য নিজ দলের অনেকেই সমর্থন করেননি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেনাপ্রধান ও সেনাবাহিনীবিরোধী আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেশে বিভাজন তৈরি করতে পারে এবং কৌশলগতভাবে রাষ্ট্রকেই দুর্বল করতে পারে।

সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে একটি পক্ষের আক্রমণাত্মক বক্তব্য ও বিষোদগার অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত ঘটনা।

সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে হাসনাত ও সারজিসের ফেসবুক পোস্টে দলে অস্বস্তি-অসন্তোষ— প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান খবর এটি।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে ফেসবুকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট নিয়ে দলটির ভেতরে অস্বস্তি তৈরির পাশাপাশি নানা আলোচনা চলছে।

দলটির নেতাদের অনেকে এই দুইজনের ফেসবুক পোস্টকে ‘ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা অর্জনের রাজনীতি’ বলছেন।

নিজেদের মধ্যে আলোচনায় নেতাদের কেউ কেউ এমন প্রশ্নও তুলছেন যে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে এনসিপি হাস্যরসের বস্তু হয়ে উঠছে কি না।

এর মধ্যে সারজিস আলমের পোস্টের নিচে মন্তব্যের ঘরে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদের একটি মন্তব্য সবার নজর কাড়ে।

তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন, হাসনাত কিংবা সারজিসের মধ্যে কেউ একজন মিথ্যা বলছেন। এনসিপিকে বিতর্কিত করার এজেন্ডা কাদের, সেই প্রশ্নও ওই মন্তব্যে তুলেছেন আবদুল হান্নান মাসউদ।

এনসিপি সূত্রে প্রথম আলো বলছে, দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এনসিপি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ লিখেছেন, ‘গুটিকয়েক ব্যক্তি তাদের ব্যক্তিগত চিন্তাপ্রসূত কথাবার্তা কোনো ধরনের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ছাড়াই বাইরে প্রকাশ করছেন।

ব্যক্তিগত রাজনীতি হাসিলের জন্য তারা যখন যা ইচ্ছা বলে বেড়াচ্ছেন; সেগুলো যে স্ববিরোধী হয়ে যাচ্ছে, সেটি নিয়েও তাদের কোনো উদ্বেগ নেই। যদি সেলিব্রিটি ফেইস, কন্ট্রোভার্সি আর পপুলিজম দিয়েই রাজনীতি করতে চান, তাহলে আমাদের পার্টি থেকে বাদ দিয়ে টিকটকারদের এনে বসিয়ে দিন।’

ঐকমত্যের সুপারিশে নানা দ্বিমত— মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, সংস্কার প্রশ্নে এখন পর্যন্ত দেয়া কমিশনের সুপারিশে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মতামত জমা দিয়েছে বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।

ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশে ১৯৭১ সাল এবং ২০২৪ সালকে এক কাতারে আনার বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছে বিএনপি। রাষ্ট্রীয় নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবেও সায় দেয়নি দলটি। বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে প্রায় সব প্রস্তাবে বিএনপি একমত।

এদিকে, সংবিধানের মূলনীতিতে আল্লাহর প্রতি অবিচল ঈমান-আস্থা ফিরিয়ে আনতে মত দিয়েছে জামায়াত। দলটি সংবিধান, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া ও দুর্নীতি দমন কমিশনের বিষয়ে কিছু পয়েন্টে দ্বিমত করেছে।

জামায়াত পিআর বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে জামায়াত আস্থাভোট, বাজেট সম্পর্কে ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কীভাবে দায়িত্ব পালন করবে সে ব্যাপারে মতামত দিয়েছে। জামায়াত জাতীয় নির্বাচনের আগে গণপরিষদ নির্বাচন চায় না।

ওদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কমিশনের ১৬৬টি সুপারিশের মধ্যে ১১৩টির পক্ষে মত দিয়েছে দলটি। ২৯টি প্রস্তাবে আংশিকভাবে একমত এবং ২২টি প্রস্তাবের বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করে দলটি। নয়া সংবিধান ও গণপরিষদ নির্বাচন চায় এনসিপি।

ড. ইউনূসের সফরে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসতে পারে: চীনা রাষ্ট্রদূত— নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন চীন সফর মাইলফলক হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

তিনি বলেছেন, এ সফর নিয়ে আমরা খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। অপেক্ষা করুন এবং দেখতে থাকুন। এই সফরে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসতে পারে।

গতকাল রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রধান উপদেষ্টার সফরের ওপর নজর থাকবে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের। এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরকে সামনে রেখে আমরা কাজ করছি। দুই দেশ কিভাবে পারস্পরিকভাবে লাভবান হতে পারে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।

এদিকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরে কোনো চুক্তি সই হবে না। কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হবে।

এ সফরে চীনের গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভে (জিডিআই) বাংলাদেশ যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত হবে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

India knew of anti-Hasina wave but could not interfere, অর্থাৎ হাসিনাবিরোধী জনরোষ সম্পর্কে অবগত ছিল ভারত, কিন্তু হস্তক্ষেপ করেনি – ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর এটি। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মন্তব্য দিয়ে শিরোনামটি করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গত বছরের ৫ই আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আগেই বাংলাদেশে হাসিনাবিরোধী জনরোষ তৈরি হওয়ার ব্যাপারে ভারত অবগত ছিল বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

শনিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক পরামর্শক কমিটির সদস্যদের তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

তবে, শেখ হাসিনার ওপর পর্যাপ্ত প্রভাব না থাকায় ‘পরামর্শ’ দেওয়া ছাড়া ভারত তেমন কিছু করার পরিস্থিতিতে ছিল না বলেও পার্লামেন্ট সদস্যদের জানান তিনি।

এ সময় জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার টুর্কের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সম্প্রতি বিবিসির হার্ডটকে ফলকার টুর্ক বলেছিলেন, বাংলাদেশে জুলাই–আগস্টে ছাত্র–জনতার আন্দোলন চলাকালে দমন–পীড়নে অংশ না নিতে সেনাবাহিনীকে সতর্ক করেছিল জাতিসংঘ।

First formal charge in ICT after Eid— ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, চব্বিশের জুলাই-অগাস্টে ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের সাথে সম্পর্কিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঈদের ছুটির পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করতে যাচ্ছে প্রধান প্রসিকিউটরের কার্যালয়।

এর মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগী দ্বারা ঢাকার আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পুড়ানোর অভিযোগে করা মামলাটির তদন্ত সংস্থা সম্প্রতি প্রধান প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে মামলার খসড়া প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

শুরুতেই মামলাটির আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হবে।

এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম গতকাল রোববার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা প্রতিবেদনটি যাচাইবাছাই করছি।

যাচাইবাছাই শেষ করার পর বিচারের জন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দেব।

তবে তাজুল ইসলাম এ মামলায় চূড়ান্ত অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করেননি।

দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর প্রবৃদ্ধির গড় হার ১.৫%, কর্মসংস্থানে ০.২ শতাংশ— আজ বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা যেভাবে বেড়েছে, নতুন কর্মসংস্থান বেড়েছে তার তুলনায় একেবারেই সামান্য।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে বিশ্বব্যাংকের এক পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, ২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এক দশকে দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী বেড়েছে গড়ে দেড় শতাংশ হারে। যদিও একই সময়ে কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধি হয়েছে দশমিক ২ শতাংশ।

উল্লেখ্য, যেকোনো দেশে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী হিসেবে ধরা হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্তসংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরি করায় বিভিন্ন খাতের সবচেয়ে উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠান বা ফ্রন্টিয়ার ফার্মগুলোও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। বরং অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক নানা দুর্বিপাকে চাকরি হারিয়েছেন অনেকে।

বিশ্বব্যাংকের ভাষ্যমতে, ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রকৃত জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধির হার দেখানো হয়েছে (৬ দশমিক ৪ শতাংশ) বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বেশি।

এমনকি দারিদ্র্যের হার নব্বইয়ের দশকের ৩০ শতাংশের বেশি হার থেকে কমিয়ে এনে ২০২২ সালে ৫ শতাংশ দেখানো হয়েছে। কিন্তু এসব পরিসংখ্যানের প্রতিফলন দেশে নতুন কর্মসৃজনের তথ্যে দেখা যাচ্ছে না।

দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর প্রবৃদ্ধির গড় হার ১.৫%, কর্মসংস্থানে ০.২ শতাংশ— আজ বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা যেভাবে বেড়েছে, নতুন কর্মসংস্থান বেড়েছে তার তুলনায় একেবারেই সামান্য।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে বিশ্বব্যাংকের এক পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, ২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এক দশকে দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী বেড়েছে গড়ে দেড় শতাংশ হারে। যদিও একই সময়ে কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধি হয়েছে দশমিক ২ শতাংশ।

উল্লেখ্য, যেকোনো দেশে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী হিসেবে ধরা হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্তসংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরি করায় বিভিন্ন খাতের সবচেয়ে উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠান বা ফ্রন্টিয়ার ফার্মগুলোও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। বরং অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক নানা দুর্বিপাকে চাকরি হারিয়েছেন অনেকে।

বিশ্বব্যাংকের ভাষ্যমতে, ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রকৃত জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধির হার দেখানো হয়েছে (৬ দশমিক ৪ শতাংশ) বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বেশি।

এমনকি দারিদ্র্যের হার নব্বইয়ের দশকের ৩০ শতাংশের বেশি হার থেকে কমিয়ে এনে ২০২২ সালে ৫ শতাংশ দেখানো হয়েছে। কিন্তু এসব পরিসংখ্যানের প্রতিফলন দেশে নতুন কর্মসৃজনের তথ্যে দেখা যাচ্ছে না।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© বাংলার মাটি মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102