অনলাইন ডেস্ক: ইভ্যালিকে দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনা করছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী (সিইও) মো. রাসেল। শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উত্তরা র্যাব সদর দপ্তরের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। গ্রেপ্তার এই দম্পতিকে গুলশান থানায় নেয়া হচ্ছে। অর্থ আত্মসাৎ মামলায় তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ।
র্যাব জানায়, কোম্পানিকে দেওলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনা ছিল রাসেলের। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল জানায়, গ্রাহকের টাকা দিয়েই কোম্পানির যাবতীয় খরচ ও ব্যয় করা হত। তারা নিজেরা প্রতি মাসে ৫ লক্ষ টাকা করে বেতন নিতেন। তিন বছর পূর্ন হলে শেয়ার মার্কেটে অন্তর্ভূক্ত হয়ে দায় চাপানোর পরিকল্পনা ছিল ইভ্যালির। দায় মেটাতে বিভিন্ন অজুহাতে সময় বৃদ্ধি করার আবেদন একটি অপকৌশল ছিল। ১ কোটি টাকা দিয়ে যাত্রা শুরু করা ইভ্যালির দেনা এখন ১ হাজার কোটি টাকা। সম্পদ আছে ৭ থেকে ৮ কোটি টাকার। প্রতিষ্ঠানটির অ্যাকাউন্টে আছে মাত্র ৩০ লাখ টাকা। সিইও রাসেল ও চেয়ারম্যান স্ত্রী শামীমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র্যাব কর্মকর্তা জানান, লুটের অর্থের সন্ধানে সরকারি কয়েকটি এজেন্সি কাজ করেছে।