স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেট সদর উপজেলার যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রকিব তারেকের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি করেছেন সদর উপজেলার শিবের বাজার দিঘীরপাড় গ্রামের বাসিন্দা বুদু উল্ল্যার ছেলে আব্দুল্লাহ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নের শিবের বাজার দিঘীরপাড় গ্রামে মবশ্বির আলী ও বুদু উল্ল্যা পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বসতভিটার জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উভয় পক্ষ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে শালিস বৈঠকে বসেন।
যুবকের গ লা কাটা ও অ র্ধ গলিত মরদেহ উ দ্ধা র-টিকটকার স্ত্রী পলাতক
অভিযোগ অনুযায়ী, শালিস কার্যক্রম চলাকালে যুবদল নেতা আব্দুর রকিব তারেক এবং তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত বিএনপি নেতা ফয়জুর রহমানের উপস্থিতিতে মবশ্বির আলী বিরোধপূর্ণ জমিতে দখল নেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে বুদু উল্ল্যার স্ত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে প্রায় দুই শতক জমির চারপাশে বাঁশের খুঁটি পুঁতে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে জমিতে বাঁশের খুঁটি স্থাপনের সত্যতা পাওয়া যায়। এলাকাবাসী ও শালিস বোর্ডের একাধিক সদস্য জানান, এর আগে অনুষ্ঠিত শালিস বৈঠকে তারেক ও ফয়জুর রহমান উপস্থিত ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মবশ্বির আলীকে জমি দখলে সহায়তার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এ সময় দিঘীরপাড় গ্রামের কামাল ও বদরুজ্জামান নামের দুজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন বলেও জানা গেছে।
তবে মবশ্বির আলী দাবি করেন, উক্ত জমি তার অংশভুক্ত হওয়ায় তিনি মাপজোক করে সীমানা নির্ধারণ করেছেন। শালিসে জমি তার নামে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি।
এ বিষয়ে যুবদল নেতা আব্দুর রকিব তারেক বলেন, জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিস চলছিল, তবে জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য, শালিসে জমি মবশ্বির আলীর পক্ষে গেলে তারা কেবল জমি বুঝিয়ে দিতে সেখানে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে ফয়জুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।