ওসমানী আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর কে পুর্নাঙ্গ আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর করনের দাবীতে যুক্তরাজ্যস্থ সিলেটবাসী আন্দোলন শুরু করেছেন। “ক্যাম্পেইন কমিটি ইউকে ফর প্রপার ওসমানী ইন্টান্যাশনাল এয়ারপোট” সংগঠনের মাধ্যমে ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যে আলোচনা সভা, সাংবাদিক সম্মেলন সহ প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে, বিভিন্ন পেশাজীবিদের মধ্যে লিফলেট বিতরন করা হয়েছে। ২৫ অক্টোবর ২০২৪ইং বালাগঞ্জে ২৬ অক্টোবর ২০২৪ইং ওসমানীনগরে লিফলেট বিতরন করেন নিরাাপদ এনজিও নির্বাহী পরিচালক, সাংবাদিক শাহাব উদ্দিন শাহিন। ওসমানী বিমান বন্দর কে পুর্নাঙ্গ আর্ন্তজাতিক করনের দাবীদে তিনি বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় করেছেন। একই দাবীর লক্ষে ১৪ অক্টোবর ২০২৪ইং যুক্তরাজ্যস্থ লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। কমিটির আহবায়ক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কে এম আবু তাহের চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক শেখ মোঃ মফিজুর রহমান, সদস্য সচিব আব্দুর রব, অর্থ সচিব সলিসিটর মোঃ ইয়াওর উদ্দিন সহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন ২০০২ সালে ওসমানী বিমান বন্দর কে আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে রুপান্তর করা হয়। কিন্তু আর্ন্তজাতিক মানের সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয়নি আজ অবধী। চট্রগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে বাংলাদেশ বিমান ছাড়াও আরো ৭টি বিদেশী কোম্পানীর বিমান চলাচল করে, অথচ সিলেট বিমান বন্ধরে কেবল বাংলাদেশ বিমান চলাচল করে। এটি সিলেটবাসীর সাথে বৈষম্যমুলক আচরন করছে বাংলাদেশ সরকার সিভিল এভিয়েশন অর্থরিটি। যুক্তরাজ্য টু বাংলাদেশ বিমানের ৯৫ জন যাত্রী সিলেট অঞ্চলের, সিলেটী যাত্রীদের কে জিম্মি করে বিমান রির্টান টিকেট এর নামে সিলেটীদের নিকট থেকে ১২০০-১৮০০ পাউন্ড নিচ্ছে, অথচ ঢাকার যাত্রীদের নিকট থেকে নিচ্ছে ৮০০ পাউন্ড। এটিও সিলেটবাসীর সাথে বৈষম্যমুলক আচরন। এর ফলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সিলেটী ছেলে মেয়েরা পরিবার নিয়ে একসাখে দেশে আসতে পারছে না। তারা বেড়ানোর জন্য অন্য দেশে চলে যাচ্ছে। এতে করে বাংলাদেশ অনেক টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। অপর দিকে সিলেটীদের সামাজিক বন্ধন নষ্ট হচ্ছে। “ক্যাম্পেইন কমিটি ইউকে ফর প্রপার ওসমানী ইন্টান্যাশনাল এয়ারপোট”সংগঠন এর মূল দাবী হচ্ছেঃ ওসমানী আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর কে পুর্নাঙ্গ আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরের সুযোগ সুবিধা প্রদান করন। বাংলাদেশ বিমানের ভাড়া হ্রাস করন। বিমান বন্দরের টার্মিনাল এর কাজ দ্রæত সমাপ্ত করন। বিমান বন্দরে বাংলাদেশ বিমানের পাশাপাশি অন্যান্য বিমান যেমন সৌদী, কাতার, তুরস্ক, ব্রিটিশ এয়ার উঠা নামার ব্যবস্থা করন। বিমান বন্দরে বিমানের গ্যাস সংযোগ স্থাপন করন। কাষ্টমস ও ইমিগ্রেশন সেকশনের অহেতুক হয়রানী দুরকরন। বিমান বন্দরে আগতদের (যাত্রীদের আতœীয় স্বজন ও চালক) জন্য বসার ব্যবস্থা, নামাজের ব্যবস্থা, শৌচাগোরের ব্যবস্থা করন সহ মাতৃদুগ্ধ কেন্ত্র স্থাপন করতে হবে। এই আন্দোলন কে বেগবান করতে আগামী ১নভেম্বর ২০২৪ইং দুপুর ২টায় সিলেট কোট পয়েন্ট এ “সিলটী আওয়াজ” সংগঠনের উদ্যোগে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। “সিলটী আওয়াজ” সংগঠনের আহবায়ক বীর মুক্তিযুদ্ধা এম এ মালেক খান উক্ত মানব বন্ধনে সকলের উপস্থিতি কামনা করেছেন। বালাগঞ্জ প্রেসক্লাব, ওসমানীনগর প্রেসক্লাব, নেতৃবৃন্দ এ আন্দোলনের সাখে একাত্বতা প্রকাশ করেছেন। সিনিয়র সাংবাদিক, সাপ্তাহিক বালাগঞ্জ বার্তা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক শাহাব উদ্দিন শাহিন বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগরের সকল কে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এ আন্দোলন কে বেগবান করার জন্য অনুরোধ করেছেন।