আজ পহেলা ফাল্গুন ১৪৩২। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। বসন্ত মানে পূর্ণতা, নতুন প্রাণের কলরব। এ বসন্তবরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশেই আজ রয়েছে নানা আয়োজন।
আজ পহেলা ফাল্গুন ১৪৩২। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। বসন্ত মানে পূর্ণতা, নতুন প্রাণের কলরব। এ বসন্তবরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশেই আজ রয়েছে নানা আয়োজন। তবে বসন্তের ছোঁয়া যে আগেভাগেই লেগেছে নগরে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরদিন গুমোট পরিবেশ হলেও গতকাল বিকালের দিকে শাহবাগের ফুলের দোকানগুলোয় বেশ ভিড় দেখা যায়। তবে অন্যান্যবারের তুলনায় ভিড় কমই ছিল। বর্ণিল পোশাকে ও সাজে বসন্তকে আমন্ত্রণ জানায় কিশোর-কিশোরী আর নানা বয়সের মানুষ।
আজ সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বটতলা হয়ে উঠবে যেন এক টুকরো বাংলাদেশ। ধ্রুপদি নৃত্য, সংগীতসহ এখানে থাকছে নানা আয়োজন। এছাড়া পার্শ্ববর্তী সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রমনা পার্ক, টিএসসি, ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় থাকছে বর্ণিল আয়োজন। এসব অনুষ্ঠানে নারীদের খোঁপায় ও হাতে রঙিন ফুল আর নানা রঙের শাড়ি এবং ছেলেদের গায়ে বসন্তের পাঞ্জাবি শোভা পাবে।
বসন্তকে বিখ্যাত করেছেন আসলে কবিরা। নীরদ সি চৌধুরী বলেছিলেন, ‘বাঙালি আসলে প্রেম করতে জানত না, তাদের প্রেমের জায়গাজুড়ে ছিল শরীর, বাঙালিকে রোমান্টিকতা শিখিয়েছেন বঙ্কিমচন্দ্র। বাঙালি জীবনে বসন্তের কোনো ভূমিকা থাকার কোনো কারণ নেই, বাঙালিকে বসন্ত চিনিয়েছেন দেশ-বিদেশের কবি-সাহিত্যিকরা। এর মধ্যে সংস্কৃত কবিরা আছেন, বিলেতি কবিরা আছেন এবং আছেন বাঙালি কবিরা।’